কিশোরদের অস্ত্রের তথ্য দেবে না চ্যাটজিপিটি, সহিংসতার আলাপ থামিয়ে দেবে নিজেই
সহিংসতা প্রতিরোধে নতুন সুরক্ষা ঘোষণা করেছে ওপেনএআই; ২০২৭ সালের শুরু থেকে প্রতি ছয় মাসে প্রকাশ করবে কমিউনিটি নিরাপত্তা প্রতিবেদন।

১৮ বছরের কম বয়সী ব্যবহারকারীদের অস্ত্র ও নিরাপত্তাব্যবস্থা-সংক্রান্ত ব্যবহারিক তথ্য দেওয়া আরও সীমিত করছে চ্যাটজিপিটি। সহিংসতার কোনো লক্ষণ না থাকলেও এ বিধিনিষেধ খাটবে। শুক্রবার (৩০ অক্টোবর) এমন একগুচ্ছ নতুন সুরক্ষা ঘোষণা করেছে ওপেনএআই। প্রতিষ্ঠানটি জানিয়েছে, কয়েক সপ্তাহের মধ্যে এগুলো চালু হতে শুরু করবে।
কী বদলাচ্ছে
- সবার জন্য: অতীতের গণহামলার ঘটনায় ব্যবহৃত অস্ত্র-সরঞ্জাম কীভাবে জোগাড় হয়েছিল, তার খুঁটিনাটি আর দেবে না চ্যাটজিপিটি। ক্ষয়ক্ষতির তুলনাও এড়িয়ে যাবে, যাতে হামলাকারীর "খ্যাতি" না বাড়ে। তবে ঘটনার প্রভাব, সতর্কসংকেত ও প্রতিরোধ নিয়ে জানা যাবে।
- আলাপ বন্ধ: কথোপকথনে কেউ সহিংসতা বা অন্যকে গুরুতর ক্ষতির চিন্তায় আচ্ছন্ন বলে মনে হলে চ্যাটজিপিটি নিজেই আলাপ শেষ করে দিতে পারবে। বারবার এমন হলে অ্যাকাউন্ট সাময়িক বন্ধ হতে পারে।
- কিশোরদের জন্য: অস্ত্র ও নিরাপত্তাব্যবস্থার তথ্যে বাড়তি বিধিনিষেধ থাকবে; তবে সহিংসতা এড়ানো, সাহায্য চাওয়া বা ভরসার কোনো বড় মানুষের সঙ্গে যোগাযোগে সহায়তা মিলবে। বয়স অনুমানের ব্যবস্থা এখন নিয়মিত সংকেত দেখে ব্যবহারকারীকে কিশোর-অভিজ্ঞতায় সরাবে। ভুল করে সরানো প্রাপ্তবয়স্করা পরিচয় যাচাই করে তা বাতিল করতে পারবেন।
নিয়মিত প্রতিবেদন
ওপেনএআই জানিয়েছে, ২০২৭ সালের শুরুতে প্রথম "কমিউনিটি সেফটি রিপোর্ট" প্রকাশ হবে, যাতে থাকবে ২০২৬ সালের দ্বিতীয়ার্ধের তথ্য। এরপর প্রতি ছয় মাসে তা হালনাগাদ হবে। প্রতিষ্ঠানটির দাবি, ২০২৬ সালের তৃতীয় প্রান্তিকে আসন্ন সহিংসতার হুমকির ঘটনায় তারা ২০০টির বেশি বিষয় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর কাছে পাঠিয়েছে।
তবে কতগুলো আলাপ বন্ধ বা অ্যাকাউন্ট স্থগিত হবে, বয়স অনুমান কতটা নির্ভুল, কিংবা সাময়িক স্থগিতাদেশ কত দিনের—এসব প্রশ্নের উত্তর ঘোষণায় নেই।
