ক্লাউডফ্লেয়ারের এআই সেবায় অন্যের প্রশ্নের তথ্য পৌঁছেছে ১৫৫টি উত্তরে
ওয়ার্কার্স এআইয়ে জিএলএম-৫.৩ মডেলের কিছু উত্তরে ঢুকে পড়েছিল আগের ব্যবহারকারীদের অনুরোধের তথ্য; কারণ মডেল নয়, সার্ভার ব্যবস্থার ত্রুটি।
ইন্টারনেট অবকাঠামো প্রতিষ্ঠান ক্লাউডফ্লেয়ার জানিয়েছে, তাদের এআই সেবা ওয়ার্কার্স এআইয়ে জিএলএম-৫.৩ মডেলের ১৫৫টি উত্তরে অন্য ব্যবহারকারীদের আগের অনুরোধের (প্রম্পট) তথ্য চলে গিয়েছিল। ঘটনাটি ঘটে ২৭ আগস্ট থেকে ৯ সেপ্টেম্বরের মধ্যে।
কীভাবে ঘটল
প্রতিষ্ঠানটির ব্যাখ্যা অনুযায়ী, সমস্যাটি মডেলের নয়, মডেল চালানোর সার্ভার ব্যবস্থার। মডেলটি প্রায় ১০ লাখ টোকেন পর্যন্ত লম্বা প্রম্পট নেওয়ার কথা বলছিল, কিন্তু জিপিইউতে সাময়িক তথ্য রাখার জায়গা (কেভি ক্যাশ) ছিল ৬ লাখ ৮১ হাজার ২৮০ টোকেনের। এর সঙ্গে উন্মুক্ত সফটওয়্যার এসজিল্যাংয়ের একটি ত্রুটি মিলে এমন অবস্থা তৈরি হয়, যাতে আগের ব্যবহারকারীর রেখে যাওয়া তথ্য পরের জনের উত্তরে পড়ে যায়। ক্ষতিগ্রস্ত সব উত্তরই ছিল এই সীমার চেয়ে লম্বা প্রম্পটের।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এক নিরাপত্তা গবেষক ৮ সেপ্টেম্বর ত্রুটিটি জানান। পরদিন ক্লাউডফ্লেয়ার মডেলটি সরিয়ে নেয়, তথ্য রাখার জায়গা বাড়ায় এবং অতিরিক্ত লম্বা অনুরোধ শুরুতেই আটকে দেওয়ার ব্যবস্থা করে। পরে এসজিল্যাংয়ের নতুন সংস্করণেও সংশোধনী যোগ হয়েছে। ইচ্ছাকৃতভাবে কেউ ত্রুটিটির অপব্যবহার করেছে, এমন প্রমাণ পাওয়া যায়নি বলে খবর।
কেন গুরুত্বপূর্ণ
এআই সেবায় অনেক প্রতিষ্ঠান একই সার্ভার ভাগাভাগি করে। এই ঘটনা দেখাল, মডেল নিরাপদ হলেও তাকে চালানোর অবকাঠামোর ছোট ভুলে এক গ্রাহকের তথ্য আরেক গ্রাহকের কাছে চলে যেতে পারে। যারা সংবেদনশীল তথ্য নিয়ে ক্লাউড এআই ব্যবহার করেন, তাঁদের জন্য সেবাদাতার এসব ব্যবস্থার খোঁজ রাখা জরুরি।
