বৃহস্পতিবার, ২৯ অক্টোবর ২০২৬
আজকের সংস্করণ:সকালদুপুরবিকেলরাত
সর্বশেষ

ছাড়পত্র পেল এআইয়ে তৈরি চলচ্চিত্র 'গ্যাপ', মুক্তি ৩১ অক্টোবর

নির্মাতাদের দাবি, এটি দেশের প্রথম এআই-নির্ভর চলচ্চিত্র; চিত্রনাট্য, চরিত্র, অ্যানিমেশন ও আবহসংগীতের বড় অংশ এআইয়ের সাহায্যে তৈরি। সেন্সর বোর্ড কোনো দৃশ্য না কেটেই ছাড়পত্র দিয়েছে।

ছাড়পত্র পেল এআইয়ে তৈরি চলচ্চিত্র 'গ্যাপ'

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার (এআই) সাহায্যে তৈরি চলচ্চিত্র 'গ্যাপ' মুক্তির ছাড়পত্র পেয়েছে। নির্মাতাদের দাবি, এটি দেশের প্রথম এআই-নির্ভর চলচ্চিত্র। সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশ চলচ্চিত্র সার্টিফিকেশন বোর্ড সম্প্রতি কোনো দৃশ্য না কেটে ছবিটিকে 'আনকাট' ছাড়পত্র দিয়েছে।

ছবিটি পরিচালনা করেছেন মাবরুর রশিদ বান্নাহ, প্রযোজক আকবর হায়দার মুন্না। আগামী ৩১ অক্টোবর একটি বিনোদন প্রতিষ্ঠানের ইউটিউব চ্যানেলে ছবিটি মুক্তি পাবে। শিগগির প্রেক্ষাগৃহেও আনার পরিকল্পনার কথা জানিয়েছেন পরিচালক।

এআই কোথায় কোথায়

নির্মাতাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ছবির চিত্রনাট্য, চরিত্র তৈরি, অ্যানিমেশন, আবহসংগীত ও ভিজ্যুয়াল ইফেক্টসের বড় অংশ এআই দিয়ে করা হয়েছে। তবে কলাকুশলীর তালিকায় পরিচালকসহ কয়েকজন অভিনয়শিল্পী ও একজন এআই ভিজ্যুয়াল আর্টিস্টের নামও রয়েছে; ফলে ছবিটি পুরোপুরি এআইয়ে তৈরি, নাকি মানুষ ও এআইয়ের যৌথ কাজ—তা মুক্তির পরই স্পষ্ট হবে। ছবির দৈর্ঘ্য নিয়েও প্রকাশিত তথ্যে অমিল রয়েছে: সার্টিফিকেশনের শ্রেণিতে এটিকে স্বল্পদৈর্ঘ্য বলা হলেও পরিচালক একে পূর্ণদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র বলছেন।

পরিচালক মাবরুর রশিদ বান্নাহ বলেন, "'গ্যাপ' শুধু একটি চলচ্চিত্র নয়, এটি বাংলা সিনেমার ইতিহাসে একটি সাহসী পরীক্ষা।"

কেন গুরুত্বপূর্ণ

ভিডিও তৈরির এআই মডেল দ্রুত উন্নত হওয়ায় বিশ্বজুড়ে কম খরচে চলচ্চিত্র বানানোর চেষ্টা বাড়ছে, প্রতিবেশী ভারতেও এআই-নির্ভর ছবি নিয়ে আলোচনা চলছে। বাংলাদেশে সরকারি ছাড়পত্র পাওয়া এমন একটি কাজ দেশের চলচ্চিত্র অঙ্গনে এআইয়ের ভূমিকা, শিল্পীদের কাজ ও কপিরাইট নিয়ে নতুন প্রশ্ন তুলবে।